বাসিরহাটে প্রথমবার টেলি-অপথ্যালমোলজির মাধ্যমে চক্ষু পরীক্ষা

এখন বাসিরহাটেও শঙ্কর জ্যোতি আই ইনস্টিটিউটের উন্নত চক্ষু পরিষেবা

উত্তর ২৪ পরগনার বাসিরহাটে এই প্রথমবারের মতো টেলি-অপথ্যালমোলজি প্রযুক্তির মাধ্যমে চক্ষু পরীক্ষার পরিষেবা চালু হতে চলেছে। এই উপলক্ষে শঙ্কর জ্যোতি আই ইনস্টিটিউট আগামী ৭ আগস্ট (শুক্রবার) একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
স্থান: বৌবাজার, পুলিশ স্টেশনের নিকটে, বসিরহাট।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাঃ শিবাশিস দাশ। তিনি টেলি-অপথ্যালমোলজির মাধ্যমে চক্ষু পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা ও আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন। এছাড়াও, ওই দিন তিনি উপস্থিত রোগীদের চক্ষু পরীক্ষাও করবেন।
আলোচনার প্রধান বিষয়গুলি হবে—
• বর্তমান চক্ষু পরিষেবার অবস্থা, এর সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা।
• টেলি-অপথ্যালমোলজি প্রযুক্তি কী এবং এর মাধ্যমে রোগীরা কী কী সুবিধা পাবেন।
• দূরবর্তী এলাকায় দ্রুত ও নির্ভুল চক্ষু পরীক্ষায় এই প্রযুক্তির ভূমিকা।
• ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত চোখ পরীক্ষা কেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সময়মতো পরীক্ষা না করালে কী ধরনের জটিলতা হতে পারে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে বসিরহাট ও আশেপাশের এলাকার মানুষ উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর চক্ষু পরীক্ষার সুবিধা স্থানীয় পর্যায়েই পাবেন। বিশেষ করে ডায়াবেটিসজনিত চোখের রোগ দ্রুত শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই পরিষেবা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
শঙ্কর জ্যোতি আই ইনস্টিটিউট সকল সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত থাকার জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। পাশাপাশি, আগ্রহী সাধারণ মানুষও সেদিন ডাঃ শিবাশিস দাশের দ্বারা চক্ষু পরীক্ষা করানোর সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠানের বিবরণ

অনুষ্ঠান: বসিরহাটে গ্রিন ভিশন সেন্টারের উদ্বোধন
তারিখ: ৭ আগস্ট, শুক্রবার, ২০২৬
স্থান: Basirhat GVC, বৌবাজার থানার পাশে, পুলিশ স্টেশনের নিকটে, বসিরহাট
সময়: দুপুর ১২:০০টা

শঙ্কর জ্যোতি আই ইনস্টিটিউট সম্পর্কে
১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত শঙ্কর জ্যোতি আই ইনস্টিটিউট পূর্ব ভারতের অন্যতম অগ্রণী তৃতীয় স্তরের (Tertiary) চক্ষু চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান, প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাঃ শিবনাথ দাশ। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর, সুলভ এবং মানসম্পন্ন চক্ষু চিকিৎসা প্রদান, গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা এবং প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।
গত তিন বছরে শঙ্কর জ্যোতি আই ইনস্টিটিউট ১০,০০০টিরও বেশি বিনামূল্যে ছানি (ক্যাটারাক্ট) অপারেশন সম্পন্ন করেছে। পাশাপাশি ৪,২০০ জনেরও বেশি ডায়াবেটিস রোগীর ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিং এবং ৩,১০০ জনেরও বেশি রোগীকে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির চিকিৎসা প্রদান করেছে। প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব দূরীকরণ এবং সকলের জন্য উন্নতমানের চক্ষু চিকিৎসা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতেও তার সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *