জেআইএস (JIS) কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্র্যাজুয়েটদের শিক্ষাগত উৎকর্ষ উদযাপন করল

কলকাতা, ৩০ আগস্ট, ২০২৬: জেআইএস গ্রুপের একটি শিক্ষা উদ্যোগ, কল্যাণীর জেআইএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং (JIS College of Engineering) রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে সফলভাবে তাদের সপ্তম ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে। এই অনুষ্ঠানে ২০২৩, ২০২৪ এবং ২০২৫ ব্যাচের গ্র্যাজুয়েটদের শিক্ষাগত সাফল্য ও অর্জন উদযাপন করা হয়। গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের সম্মান জানানো এবং তাদের নতুন পেশাগত যাত্রার সূচনা উদযাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হয়ে রইল।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র; অধ্যাপক তাপস চক্রবর্তী, উপাচার্য, মাকাউট (MAKAUT), পশ্চিমবঙ্গ; অধ্যাপক সুকুমার মিশ্র, অধিকর্তা, আইআইটি (আইএসএম) ধানবাদ; স্বামী সর্বত্তমানন্দ, রামকৃষ্ণ মিশন, হাওড়া; সর্দার সিমারপ্রীত সিং, অধিকর্তা, জেআইএস গ্রুপ; শ্রী বিদ্যুৎ মজুমদার, উপ-অধিকর্তা (ব্যবসায়িক উন্নয়ন), জেআইএস গ্রুপ; অধ্যাপক (ড.) নীরজ সাক্সেনা, প্রো-চ্যান্সেলর, জেআইএস ইউনিভার্সিটি এবং অধ্যাপক (ড.) পার্থ সরকার, অধ্যক্ষ, জেআইএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং। বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে আরও মহিমান্বিত করে তোলে এবং জীবনের পরবর্তী অধ্যায়ে পা রাখা গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করে।

শিক্ষাগত উৎকর্ষ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্য উদযাপনের এই আয়োজনে গ্র্যাজুয়েট, শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাবিদ এবং বিশিষ্ট অতিথিরা একত্রিত হয়েছিলেন। জেআইএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং-এ অধ্যয়নকালে গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের নিষ্ঠা, অধ্যবসায় এবং অর্জনের জন্য তাদের স্বীকৃতি জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেআইএস গ্রুপের অধিকর্তা সর্দার সিমারপ্রীত সিং বলেন, “এই ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠানটি আমাদের গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষার উদযাপন। জেআইএস গ্রুপে আমরা বিশ্বাস করি যে, শিক্ষা মানে কেবল ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং সমাজে অর্থবহ প্রভাব ফেলার মতো আত্মবিশ্বাস, চরিত্র ও সক্ষমতা গড়ে তোলাও। আমরা আমাদের গ্র্যাজুয়েটদের নিয়ে গর্বিত এবং তাদের জীবনের এই নতুন অধ্যায় শুরুর প্রাক্কালে তাদের সাফল্য কামনা করি। তারা যেন প্রতিনিয়ত শিখতে ও নতুন উদ্ভাবন করতে থাকে এবং তাদের চারপাশের পৃথিবীতে ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে।” 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *