কলকাতা, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬: এই দুর্গাপুজোয়, পূর্ব ভারতের অত্যন্ত জনপ্রিয় সব স্বাদের অনুপ্রেরণায় তৈরি সীমিত সময়ের বিশেষ মেনু “আমার পুজো, আমার স্টারবাকস”-এর মাধ্যমে টাটা স্টারবাকস ফিরিয়ে আনছে এই অঞ্চলের উৎসবকালীন খাদ্যাভ্যাসের আমেজ। বিগত বছরগুলোতে গ্রাহকদের কাছ থেকে পাওয়া বিপুল সাড়ার ওপর ভিত্তি করে সাজানো এই বিশেষ আয়োজনে স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী স্বাদের সাথে স্টারবাকসের নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের এক অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে, যা পরিবার ও বন্ধুদের সাথে উৎসব উদযাপনের এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা উপহার দেবে।
এই নতুন মেনু চালুর বিষয়ে টাটা স্টারবাকসের প্রোডাক্ট ও মার্কেটিং বিভাগের প্রধান মিতালি মহেশ্বরী বলেন, দুর্গাপূজা পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রিয় উৎসব, যা ঐতিহ্য, খাবার এবং পারস্পরিক মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে মানুষকে একত্রিত করে। তিনি উল্লেখ করেন যে, উৎসবের সেই আন্তরিকতা ও নিজস্বতা বজায় রেখে পরিচিত স্থানীয় খাবারগুলোকে আধুনিক রূপে উপস্থাপন করার মাধ্যমে এবারের নতুন মেনু সেই বন্ধনকেই উদযাপন করছে।
এবারের মেনুতে দুটি নতুন পদ যুক্ত করা হয়েছে। ‘কোশা মাংস রোল’-এ ঐতিহ্যবাহী বাঙালি ঘরানার কোশা মাংসের সাথে ফ্ল্যাকি পরোটার সংমিশ্রণ ঘটানো হয়েছে, যা উৎসবের প্রিয় স্বাদকে এক সুবিধাজনক ও উপভোগ্য রূপে তুলে ধরে। এর পাশাপাশি রয়েছে ‘গুড়ের সন্দেশ ফ্ল্যান’—এটি ক্লাসিক বাঙালি সন্দেশের এক আধুনিক সংস্করণ, যা বিস্কুটের বেস এবং গুড়ের মিষ্টি স্বাদের সমন্বয়ে এক অনন্য ডেজার্ট বা মিষ্টান্ন হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।
নতুন এই পদগুলোর পাশাপাশি গ্রাহকদের অত্যন্ত প্রিয় বেশ কিছু খাবারও মেনুতে ফিরে আসছে, যার মধ্যে রয়েছে ঢাকাই চিকেন র্যাপ, ভেটকি ভাজা স্যান্ডউইচ, চিংড়ি টার্নওভার, সর্ষে চিকেন বার্গার, আলু পোস্ত বার্গার এবং কালাকান্দ পাই। প্রতিটি পদেই এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ রন্ধনশৈলীর প্রতিফলন রয়েছে এবং তার সাথে যুক্ত হয়েছে স্টারবাকসের নিজস্ব আধুনিকতার ছোঁয়া।
উৎসবের এই বিশেষ মেনুটি ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত কলকাতা, গুয়াহাটি, শিলিগুড়ি, ভুবনেশ্বর, জামশেদপুর, পাটনা, রাঁচি এবং গ্যাংটকের নির্বাচিত স্টারবাকস স্টোরগুলোতে পাওয়া যাবে। মহালয়া উপলক্ষে কলকাতার পার্ক ম্যানশন, সাউদার্ন অ্যাভিনিউ, লাউডন স্ট্রিট এবং নিউ আলিপুরের স্টোরগুলো ভোর ৫টায় খোলা হবে, যাতে গ্রাহকরা কফির সাথে উৎসবের মরসুম শুরু করতে পারেন। স্টারবাকসের কর্মীরা এসব স্থানে কফি-টেস্টিং বা কফি আস্বাদনের আয়োজনও করবেন, যা উৎসবমুখর পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।

