নিজস্ব প্রতিনিধি :কলিয়ার্স -এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি, আন্তঃসীমান্ত পুঁজি প্রবাহ এবং প্রধান সম্পদ শ্রেণিগুলোতে জোরালো চাহিদার ফলে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ বাজার ২০২২ সালের পর থেকে বছরের প্রথমার্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থান রেকর্ড করেছে; ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০৫ বিলিয়ন ডলারে।’এশিয়া প্যাসিফিক ক্যাপিটাল মার্কেটস স্ন্যাপশট এইচ ১ ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভারতসহ পুরো অঞ্চলজুড়ে অফিস বা কার্যালয় সংক্রান্ত সম্পদ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পছন্দের খাত হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে অফিস খাতে বিনিয়োগ ৪০.২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা সামগ্রিক রিয়েল এস্টেট পুঁজি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বৃহত্তম অবদানকারী খাত।
এই সময়ে খুচরা বা রিটেইল সম্পদ খাতে ২৬.৭ বিলিয়ন ডলার এবং শিল্প ও লজিস্টিকস সম্পদ খাতে ২২.৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে। পাশাপাশি, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ডেটা সেন্টারগুলোর গুরুত্ব বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে এবং ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে এ খাতে ৬.৭ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ এসেছে।
ভারতের রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ কার্যক্রমে অফিস খাতের প্রাধান্য
কলিয়ার্স জানিয়েছে, ভারতে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে মোট রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগের ৪০ শতাংশেরও বেশি এসেছে অফিস সম্পদ খাত থেকে এবং পুঁজি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দেশীয় বিনিয়োগকারীরাই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
কলিয়ার্স ইন্ডিয়া-র সিইও ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর বাদল যাজ্ঞিক বলেন, “অফিস সম্পদগুলো বিনিয়োগকারীদের উল্লেখযোগ্য আগ্রহ আকর্ষণ করছে; এর পেছনে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভাড়াটিয়া বা ব্যবহারকারী শ্রেণির মধ্যে ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং জিসিসি বা গ্লোবাল ক্যাপাবিলিটি সেন্টারগুলোর জন্য অফিস স্পেস গ্রহণের ক্ষেত্রে জোরালো প্রবণতা।”

